ডেস্ক রির্পোট: বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। উপজেলা সদরের আলীনগর ইউনিয়নের মৌটুপি গ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা গ্রন্থাগার ও জাদুঘরে আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা গ্রন্থাগার ও জাদুঘর এবং জেলা পরিষদ যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিমুজ্জামান’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা পরিষদ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেন। বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুজ্জামান সাইফ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৃধা মো. মুজাহিদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীন সাংবাদিক এম এ তাহের, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডর সফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাব সম্পাদক সামসুল আলম মিঠু, বীরশ্রেষ্ঠ’র ভাই’র ছেলে মো. সেলিমউদ্দিন।
এখানে বক্তারা বলেন, বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল মহান মুক্তিযুদ্ধে সহযোদ্ধাদের জীবন বাঁচাতে অসামান্য ত্যাগের ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। নিজের জীবন দিয়ে সেদিন তিনি সঙ্গীদের প্রাণ বাঁচিয়েছেন। স্বাধীনতার পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগের জন্য ৭জনকে বীরশ্রেষ্ঠ’র উপাধীতে ভুষিত করেন। তার ভিতর মোস্তফা কামাল অন্যতম।
তারা আরো বলেন, বিএনপি-জোট সরকার মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করেছিল। আর বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দ্বায়িত্ব গ্রহণের পর সঠিক ইতিহাস সবার সামনে তুলে ধরেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বৃদ্ধি করেছে। আজকে সর্বক্ষেত্রে মূল্যায়ন করা হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধাদের। তাই নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধ ও বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের ইতিহাস জানার জন্য আহবান জানান বক্তারা।
পরে বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের রুহের শান্তি কামনায় দোয়া মনোজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মো. আব্দুল লতিফ। এছাড়া অতিথিবৃন্দ মোস্তফা কামালের মাতা মালেকা বেগমের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। তারা তার শারীরিক ও পারিবারিক খোঁজ-খববর নেন।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের এই দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় দরুইন গ্রামে পাকবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে শাহীদ হন বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল। দরুইনের মাটিতে সমাহিত করা হয় জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানকে। (বাসস)
অগ্রদৃষ্টি.কম // এমএসআই











